শুক্রবার, ১৭ Jul ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : কক্সবাজার শহরের মাঝিরঘাটস্থ বাঁকখালী নদী থেকে খালাসের সময় ইয়াবার বিশাল একটি চালান লুট হয়েছে।
কয়েকটি সূত্রের দেয়া তথ্যমতে লুট হওয়া চালানে প্রায় এক কোটি ইয়াবা ছিল। ইয়াবা লুটের বিষয়টি স্বীকারও করছে পুলিশ।
তবে পুলিশের মতে, সেখানে ইয়াবা ছিল প্রায় ১০ লাখ পিচ। ঘটনাটি নিয়ে পুরো শহরজুড়ে তোলপাড় চলছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে এই ইয়াবা লুটের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের মতে, এক কোটি বা ১০ লাখ পিচ যা-ই হোক না কেন, ইয়াবা লুটের ১২ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোনো কূল-কিনারা খুঁজে পায়নি।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহাজান কবির বলেন, ইয়াবা লুটকারিদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। পুলিশি তদন্তে ১০ লাখ ইয়াবা লুটের সত্যতা পাওয়া গেছে। ১০ লাখ বা ১ কোটি যা হোক না কেন আমাদের (পুলিশের) কাজ হচ্ছে মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ইয়াবা লুটকারিদের আইনের আওতায় আনা। সে মোতাবেক অভিযান চলমান রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, ইয়াবা লুটে নেতৃত্ব দেয়া মিজান একজন পুলিশের তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসী। তাছাড়া প্রতিনিয়ত বাঁকখালী নদীতে বিশেষ করে কস্তুরাঘাট, মাঝিরঘাট ও এসএমপাড়া এলাকায় ট্রলার থেকে নিয়মিত ইয়াবা ছিনতাই করে মিজানের নেতৃত্বে একটি অস্ত্রধারী চক্র। ইয়াবা ছিনতাই করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন মিজান।
কক্সবাজার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বিপিএম বলেন, ইয়াবা লুটের ঘটনার পর থেকে পুলিশ এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ইতিমধ্যে অনেককেই শনাক্ত করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে এনে অবশ্যই ইয়াবার সঙ্গে এবং লুটের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর